1. »
  2. শিক্ষা

এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময়সূচী ঘোষণা

বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:৪৪ এএম | আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:৪৪ এএম

এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময়সূচী ঘোষণা

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষা শেষ হবে ৩ ডিসেম্বর। ফল প্রকাশ করা হবে ২৩ ডিসেম্বর।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর মাতুয়াইলে শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, এইচএসসি পরীক্ষায় যারা এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের পরীক্ষা আগামী ২ ও ৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ২৩ ডিসেম্বর ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন এইচএসসির পাসের হার
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত দুই দশকের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন পাসের হার।

২০২৫ সালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। সেই তুলনায় চলতি বছর পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।

এবার ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। অন্যদিকে, ছাত্রদের মধ্যে পাস করেছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন। তাঁদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

এ বছর মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী।

বেড়েছে শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা
চলতি বছরের পরীক্ষায় ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। গত বছর এ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।

গত ২ জুলাই শুরু হয়েছিল চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার কথা ছিল।

তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হলে ৯ সেপ্টেম্বর ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়।

এবারের ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী নতুন করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। আগামী ২ ও ৩ ডিসেম্বরের পরীক্ষা তাঁদের জন্য উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যাওয়ার আরেকটি সুযোগ তৈরি করবে।