1. »
  2. জাতীয়

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস আজ

বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৫৪ পিএম | আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৫৪ পিএম

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস আজ

দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আজ বুধবার (১ অক্টোবর) দেশে ও বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। প্রবীণদের স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিই এবারের দিবসের মূল লক্ষ্য।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৯০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে দেশের প্রবীণ নাগরিকদের শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে প্রবীণদের কল্যাণে সরকারসহ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও জনহিতৈষী সংগঠন, বিত্তবান ব্যক্তি এবং পরিবারগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি প্রবীণদের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান এবং নিরাপদ বার্ধক্য নিশ্চিত করাকে সামাজিক অঙ্গীকার হিসেবে নেওয়ার কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রবীণরা পরিবার ও সমাজের ভিত্তি। তাঁদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই বর্তমান বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই প্রবীণদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘায়ু মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও পারিবারিক সহায়তার ব্যবস্থাগুলোকে সময়োপযোগী করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রবীণদের সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখা এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আনতেও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানান তিনি।

দিবসটি উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে র‌্যালি, আলোচনা সভা, জাতীয় পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রবীণদের মর্যাদা বিষয়ে ক্ষুদেবার্তা পাঠানো এবং ইলেকট্রনিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার।

এ ছাড়া দেশের সব জেলা ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়কে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সেবাগ্রহীতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের ২০২৬ সালের বার্তাতেও দীর্ঘায়ু মানুষের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা, আবাসন, কর্মসংস্থান ও অন্যান্য ব্যবস্থাকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।