1. »
  2. জাতীয়

বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কিনছে বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:৩৪ এএম | আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:৩৪ এএম

বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কিনছে বাংলাদেশ

দেশের বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কিনবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এ বিষয়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের এভিয়েশন খাত সম্প্রসারণ ও নতুন নতুন রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ কারণে চাহিদা অনুযায়ী নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী এয়ারবাসের সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক, উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লান্ডাউসহ দেশটির উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে বোয়িংয়ের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে।

প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি তুলে ধরে মাহদী আমিন জানান, স্বাস্থ্য, কৃষি, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে।

গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে বৈঠকে কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ উদ্যোগে জাতিসংঘের সাইডলাইনে একটি অনুষ্ঠান হয়। মাহদী আমিন বলেন, ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গার নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। এ সংকটে চীন, ভারতসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

এ ছাড়া ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অভিবাসন নিয়ে এবং ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে। প্রয়োজনে সংলাপের সুযোগ তৈরিতে বন্ধুত্বপূর্ণ ও নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেছেন বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের জাতিসংঘ সফরের আরও দুই দিনের কর্মসূচি রয়েছে। আগামীকাল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।