ইতালির স্কুলে বোরকা-নিকাব নিষিদ্ধ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও সীমা
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৬ এএম | আপডেট: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৬ এএম
ইতালির স্কুলগুলোতে বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি প্রতিটি শ্রেণিতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাও নির্দিষ্ট করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি তাঁর দল ‘ব্রাদার্স অব ইতালি’র এক যুব সমাবেশে এসব পরিকল্পনার কথা জানান।
মেলোনি বলেন, অভিবাসী শিক্ষার্থীদের ইতালীয় সমাজের মূলধারায় যুক্ত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, কোনো শ্রেণিতে একজন শিশু ইতালীয় ভাষা না জানলে সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় সে দ্রুত ভাষাটি শিখে নিতে পারে। কিন্তু ভাষা না জানা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে তাদের সামাজিক একীভূতকরণ কঠিন হয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে একটি বিল উপস্থাপন করা হবে বলেও জানান ইতালির প্রধানমন্ত্রী।
যেসব বিদেশি শিক্ষার্থী স্কুলে মানিয়ে নিতে সমস্যায় পড়বে, তাদের অভিভাবকদেরও ইতালীয় ভাষা শেখার প্রয়োজন হবে বলে জানান মেলোনি।
বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অজুহাতে কাউকে মুখ ঢেকে স্কুলে আসার অনুমতি দেওয়া হবে না।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইউরোপের অভিবাসনপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে ইতালি অন্যতম। দেশটিতে বিশেষ করে মুসলিমপ্রধান দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদের সংস্কৃতি, ধর্মীয় পোশাক ও নাগরিকত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে।
গবেষণা সংস্থা আইএসএমইউয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইতালির স্কুলগুলোর মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ১১ দশমিক ৬ শতাংশ বিদেশি নাগরিক।
সরকারের প্রস্তাবিত নতুন বিধানগুলো বাস্তবায়িত হলে ইতালির স্কুলগুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের শ্রেণিভিত্তিক বণ্টন এবং ধর্মীয় পোশাকের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন
- মার্কিন নাগরিকদের ইরান ছাড়ার পরামর্শ, বাড়ছে সংঘাতের শঙ্কা
- সৌদি আরবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- রাশিয়ার ওপর ৫০০, ভারতসহ কয়েকটি দেশে ১০০ শতাংশ শুল্কের ক্ষমতা ট্রাম্পের
- সৌদি-হুথি পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহত ৫, তিনজনই শিশু
- হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে ইরানের হামলা
- যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত
- নাইজেরিয়ায় বিষাক্ত দেশি মদ পান করে ৪৮ জনের মৃত্যু
- ইরানে মার্কিন হামলায় যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ