1. »
  2. জাতীয়

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেকে রহমান

বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬ ১০:১১ এএম | আপডেট: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬ ১০:১১ এএম

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেকে রহমান

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে প্রতিষ্ঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মাধ্যমে জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল।

আজ বুধবার (৫ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের স্মৃতি ফলক উন্মোচন করেন। 

উদ্বোধনের পর সূরা ফাতিহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তিনি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি পরিদর্শন করেন এবং সেখানে সংরক্ষিত আলোকচিত্র, দলিলপত্র, নিদর্শন ও স্মারক ঘুরে দেখেন। এসবের মাধ্যমে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নানা দিক সম্পর্কে অবগত হন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, জনসম্পৃক্ততা ও বিজয়ের ইতিহাস তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনকে রূপান্তর করে এই জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে। নানা জটিলতার কারণে এতদিন এটি চালু করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে এর উদ্বোধন সম্পন্ন হলো।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা দেশ থেকে পলায়ন করলে ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। সেই সরকারের সময়েই গণভবনে এই স্মৃতি জাদুঘর গড়ে তোলা হয়।

ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মকে সচেতন করা এবং শহীদদের স্মরণে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

উদ্বোধনের দিন জাদুঘরটি শুধুমাত্র আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য এটি খুলে দেওয়া হবে।