1. »
  2. জাতীয়

এমপিও শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপিরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬ ০৯:০৪ পিএম | আপডেট: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬ ০৯:০৪ পিএম

এমপিও শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপিরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশৃঙ্খল করতে সংশ্লিষ্ট আইনে একগুচ্ছ সংশোধনী প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক এবং ঋণ ও বিলখেলাপিদের প্রার্থী হওয়ার অযোগ্যতার আওতায় আনার সুপারিশ রয়েছে এসব প্রস্তাবে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের ১২তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। 

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন অন্য চার নির্বাচন কমিশনার এবং ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। প্রস্তাবগুলো শিগগিরই স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

সিনিয়র সচিব জানান, সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীকেও অযোগ্যতা-সংক্রান্ত বিধানের আওতায় আনা উচিত বলে মনে করে কমিশন, কেননা বর্তমানে সব বাহিনীর আইনে এই বিধান সমানভাবে নেই। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট— তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্যতা থাকা উচিত।

ঋণখেলাপির বিষয়ে দুটি দিক তুলে ধরেন সচিব— ব্যক্তিগতভাবে যিনি বন্ধকদাতা, তিনি তো আগে থেকেই অযোগ্য বিবেচিত হন; এখন যারা কারও জামিনদার হয়েছেন, তাদেরও ঋণখেলাপি হিসেবে প্রার্থিতার অযোগ্য করার প্রস্তাবে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে কমিশন। 

বিলখেলাপির ক্ষেত্রেও একই যুক্তি প্রযোজ্য— বিদ্যুৎ বিল, ভূমি কর বা ওয়াসার মতো সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিল ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে খেলাপি থাকলে সেটিও অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হবে। এমনকি কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার হলেও, প্রতিষ্ঠান বিলখেলাপি হলে তা তার নিজের অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

লাভজনক পদে থেকে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলেও সুপারিশ করেছে কমিশন। দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের ক্ষেত্রেও কমিশনের অবস্থান অপরিবর্তিত— সংবিধানেই এ বিষয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে জানান সচিব, ফলে তাদেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই বলে মনে করে ইসি।

সচিব আখতার আহমেদ জানান, আইন সংশোধনের এসব প্রস্তাব এখন স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। বিভাগ উপযুক্ত মনে করলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।