1. »
  2. আন্তর্জাতিক

সাত দিনের শোকযাত্রা শেষে মাশহাদে চিরনিদ্রায় আয়াতুল্লাহ খামেনি

শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬ ১০:৩৮ এএম | আপডেট: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬ ১০:৩৮ এএম

সাত দিনের শোকযাত্রা শেষে মাশহাদে চিরনিদ্রায় আয়াতুল্লাহ খামেনি

প্রায় সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোক অনুষ্ঠান শেষে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে তার জন্মশহর মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হওয়ার প্রায় চার মাস পর তার এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হলো।

গত শুক্রবার তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় খামেনির মরদেহ রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধার জন্য রাখার মধ্য দিয়ে বহুদিনের এই শোকানুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর শনি ও রোববার সাধারণ মানুষের বিদায় ও দোয়ার আয়োজন হয়, সোমবার তেহরানের রাজপথে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় কফিন মিছিল।

মঙ্গলবার শোকযাত্রা পৌঁছায় ইরানের পবিত্র নগরী কোমে। সেখানকার জামকারান মসজিদে সমবেত হন লাখো শোকাহত মানুষ। আয়াতুল্লাহিল উজমা আবদুল্লাহ জাওয়াদি আমোলির ইমামতিতে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় অংশ নেন সাধারণ মুসল্লি, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, সরকারি কর্মকর্তা ও সামরিক কমান্ডাররা। জানাজা শেষে কফিন মিছিল জামকারান মসজিদ থেকে হযরত ফাতিমা মাসুমার মাজারের দিকে যায়। এই জানাজায় অংশ নিতে সোমবার বিকেল থেকেই দেশটির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষের ঢল নামে কোম নগরীতে, ভোরের আগেই ভরে ওঠে মসজিদ প্রাঙ্গণ ও নামাজের হলগুলো।

খামেনির সঙ্গে এই শোকযাত্রায় একইসঙ্গে স্মরণ করা হয় তার পরিবারের চার সদস্যকেও, যারা একই হামলায় নিহত হয়েছিলেন।

কোমের অনুষ্ঠান শেষে বুধবার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ইরাকে, যেখানে নাজাফ ও কারবালার মতো শিয়া মুসলিমদের পবিত্র নগরীতে শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। 

অবশেষে বৃহস্পতিবার খামেনির নিজের অসিয়ত অনুযায়ী উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে ইমাম রেজার মাজারে তাকে দাফন করা হয়। পুরো সাত দিনের শোকানুষ্ঠানে সব মিলিয়ে দেড় কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে, ইরানি কর্তৃপক্ষের হিসাবে যা আরও বেশি হতে পারে।

সূত্র: প্রেস টিভি