1. »
  2. জাতীয়

ব্যাংক ঋণনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬ ০৩:৫৭ পিএম | আপডেট: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬ ০৩:৫৭ পিএম

ব্যাংক ঋণনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা থেকে সরে আসতে চায় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, কোনো সরকার দায়িত্বে এলে সাধারণত সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিচালনার দিকে ঝুঁকে যায়, কিন্তু নতুন সরকার ফ্যামিলি কার্ডের ক্ষেত্রে সে পথে হাঁটেনি। বরং সুবিধাভোগীরা যেন সরাসরি অর্থ পান, তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আজ রোববার (২১ জুন) রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) আয়োজিত বাজেট সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

চলতি বাজেটকে ‘পারফেক্ট নয়’ বলে স্বীকার করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার এখনো বাজেটের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করছে এবং এর বাস্তবায়ন নিয়ে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের কর-জিডিপি অনুপাত সন্তোষজনক নয়, এবং বিশ্বব্যাপী বিদেশি ঋণের প্রবাহ কমে আসার প্রেক্ষাপটেই এই বাজেট ঘোষণা করতে হয়েছে।

তিনি জানান, আগের সরকার প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রেখে গেছে, এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে সরকারের ব্যয়ও বেড়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের পুরো অর্থনৈতিক কাঠামো নতুনভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নীতিনির্ধারণী বিভাগ আমলাদের পরিবর্তে কর বিশেষজ্ঞদের হাতে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এনবিআরকে সক্রিয় করতে হবে, কারণ অনেকে কর না দেওয়াকে ইতিবাচক কিছু মনে করেন, যা দেশের অগ্রগতির পথে বাধা।

এ ছাড়া রপ্তানির ক্ষেত্রে যেকোনো ব্যক্তি বন্ড সুবিধা নিতে পারবেন, আর বন্ড না নিলে পাবেন কর সুবিধা—এমন নীতির কথাও জানান তিনি।

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর মোট বাজেটের ২ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে শিক্ষা খাতে। তিনি এটিকে কম বলতে নারাজ হলেও জানান, লক্ষ্য রয়েছে ৫ শতাংশে উন্নীত করার, যা নির্বাচনী ইশতেহারেও উল্লেখ করা হয়েছিল। তার ভাষ্যে, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ ছাড়া কেবল বক্তৃতা দিয়ে বাস্তব অর্জন সম্ভব নয়; দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এই দুই খাতে বিনিয়োগ অপরিহার্য।

আরও পড়ুন