শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় পড়া শুরু
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬ ১১:২১ এএম | আপডেট: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬ ১১:২১ এএম
রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে। আজ রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় পড়া শুরু করেন।
রায় ঘোষণার আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আসামি স্বপ্না খাতুনকে আদালতে আনা হয়। এরপর সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে প্রিজনভ্যানে করে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকা মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে নিয়ে আসে পুলিশ। পরে দুজনকে হাজতখানায় রাখা হয়। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর দেখা গেছে।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হলে একদিনেই ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য নেওয়া সম্পন্ন হয়। ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা। গত ৪ জুন যুক্তিতর্ক শেষে আজকের দিন রায়ের জন্য ধার্য করা হয়। মাত্র চার কার্যদিবসে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে সোহেলের দরজার সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বালতির মধ্যে তার মাথা পাওয়া যায়। পরে ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্নাকে এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। ঘটনার পরদিন ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা করেন রামিসার বাবা।
আরও পড়ুন
- আদালতের নির্দেশে রাজুর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
- গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে: হাইকোর্ট
- প্রতারণা রোধে আগের বিয়ের তথ্য কাবিননামায় যুক্ত করার নির্দেশনা চেয়ে রুল
- জোরপূর্বক নেওয়া পদত্যাগপত্রের আইনি বৈধতা নেই: হাইকোর্ট
- ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে: হাইকোর্ট
- রিমান্ড শেষে কারাগারে খলনায়ক ডন
- সাবেক ভূমিমন্ত্রীর সিঙ্গাপুরে থাকা সম্পদ ক্রোকের আদেশ
- সাগর-রুনি হত্যায় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের যোগসূত্র মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর