ওপেক ছাড়ল আমিরাত, চাপে সৌদি আরব ও জ্বালানি বাজার
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০৯:০৯ পিএম | আপডেট: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০৯:০৯ পিএম
তেল উৎপাদনকারী জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এমন এক সংকটময় মুহূর্তে এই সিদ্ধান্ত এলো, যখন ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ইতোমধ্যেই গভীর অস্থিরতা তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আমিরাতের এই পদক্ষেপ ওপেকের কার্যকারিতা ও প্রভাবকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। জোটের অনানুষ্ঠানিক নেতৃত্বে থাকা সৌদি আরবের জন্য এটি বিশেষভাবে বড় একটি ধাক্কা।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে হরমুজ প্রণালীতে ইরানি বাহিনীর তৎপরতায়। বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে উপসাগরীয় তেল রফতানিকারক দেশগুলো ইতোমধ্যেই তাদের সরবরাহ শৃঙ্খলে বাধার মুখে পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র আমিরাত অভিযোগ করেছে, যুদ্ধ চলাকালে ইরানের একাধিক হামলার শিকার হলেও অন্য আরব দেশগুলো তাদের পক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়নি। এই ক্ষোভ ও হতাশাই মূলত জোট ছাড়ার সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওপেক বর্তমানে বিশ্বের মোট তেল উৎপাদনের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করে। আমিরাতের মতো বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশের সরে যাওয়া আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন অনিশ্চয়তার জন্ম দিতে পারে। বাজার বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এর ফলে তেলের দাম আরও অস্থির হয়ে উঠবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সূত্র: আল-জাজিরা
আরও পড়ুন
- মেক্সিকোতে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা
- আন্তর্জাতিক বাজারে কমল তেলের দাম
- ভারতীয় তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ নাবিক নিহত
- 'বাঁচতে চাইলে এই অঞ্চল ছেড়ে যাও', মার্কিন হামলার পর ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি
- দক্ষিণ আফ্রিকা জোহানেসবার্গে দুর্বৃত্তের এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ১২
- মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিতের জবাবে ইরানে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র
- ফিলিপাইনে ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা
- ট্রাম্পের অনুরোধ উপেক্ষা করে ইরানে ফের ইসরায়েলের হামলা