যুদ্ধবিরতির প্রভাবে তেলের বাজারে বড় ধাক্কা, দাম কমলো ১৬ শতাংশ
বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:২৮ এএম | আপডেট: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:২৮ এএম
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। একই সঙ্গে শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিউইয়র্ক সময় মঙ্গলবার রাতেই বাজারে এই পরিবর্তন শুরু হয়। যুদ্ধবিরতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪.৫৯ ডলারে নেমে আসে। পাশাপাশি ব্রেন্ট ক্রুডের দামও প্রায় ১৫ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৯২.৩৫ ডলারে।
এই পরিস্থিতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। প্রতিদিন বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে এই পথ পুনরায় খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
ঘোষণার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বাজারে বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়—তেলের দাম কমে যায়, বন্ডের দাম বাড়ে এবং মার্কিন শেয়ারবাজারে উত্থান ঘটে। বিনিয়োগকারীরা এটিকে এমন একটি সংকেত হিসেবে দেখছেন, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে—কয়েক সপ্তাহের অস্থিরতার পর তেলের সরবরাহ আবার স্বাভাবিক হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক আগে এই ঘোষণা আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এর আগে ইরানের তেলক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় তেহরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকিতে বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই পতনের পরও তেলের দাম এখনো ফেব্রুয়ারির শেষ দিকের তুলনায় তুলনামূলকভাবে বেশি অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
আরও পড়ুন
- আবারও কমল সোনার দাম
- চট্টগ্রাম বন্দরে অকটেনের তৃতীয় চালান, জ্বালানি মজুদে স্বস্তি
- বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম
- কমল সোনা-রুপার দাম
- ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানির দাম
- ৫ মে আসছে আরও এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল
- বাড়ল সোনা ও রুপার দাম, আজ থেকে কার্যকর
- এক লাখ ৬৯ হাজার টন জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রামে বন্দরে ভিড়েছে পাঁচ জাহাজ