1. »
  2. জাতীয়

ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছি : দাবি ট্রাম্পের

সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬ ১১:২৬ এএম | আপডেট: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬ ১১:২৬ এএম

ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছি : দাবি ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সফলভাবে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন বা ‘রেজিম চেঞ্জ’ ঘটিয়েছে এবং বর্তমানে তিনি দেশটির একটি “নতুন গোষ্ঠী”-র সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সোমবার (৩০ মার্চ) দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, এই নতুন গোষ্ঠীটি আগের নেতৃত্বের তুলনায় বেশি যুক্তিবাদী এবং তাদের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। তবে কারা এই গোষ্ঠী বা ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোয় তাদের অবস্থান কী—সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি হোয়াইট হাউস।

এই দাবি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের এক মাস পূর্ণ হয়েছে। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের ফলে ইরানের কট্টরপন্থী নেতৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং নতুন নেতৃত্ব সামনে এসেছে।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে মোজতবা খামেনি-কে ঘিরে নানা গুঞ্জন রয়েছে। ট্রাম্প আগেই তার অবস্থান নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর মতে, গত এক মাসের বিমান হামলা ও অর্থনৈতিক অবরোধের ফলে ইরানের ভেতরে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এখনো কোনো শাসন পরিবর্তনের কথা স্বীকার করেনি; বরং তারা প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। যদি সত্যিই নতুন কোনো মধ্যপন্থী গোষ্ঠী ক্ষমতায় এসে থাকে, তাহলে আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত নিরসনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে সমালোচকদের মতে, এটি একটি কৌশলগত বা মনস্তাত্ত্বিক পদক্ষেপও হতে পারে, যার উদ্দেশ্য ইরানের অভ্যন্তরে বিভ্রান্তি তৈরি করা।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি তেহরান-এর দিকে—সেখানে থেকে এই তথাকথিত ‘নতুন গোষ্ঠী’ সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট বার্তা আসে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।