1. »
  2. জাতীয়

চট্টগ্রাম বন্দরে এলো আরও একটি তেলবাহী জাহাজ

বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬ ১০:৩৮ এএম | আপডেট: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬ ১০:৩৮ এএম

চট্টগ্রাম বন্দরে এলো আরও একটি তেলবাহী জাহাজ

সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে ‘লিয়ান হুয়ান হু’ নামের একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কার মধ্যে গত ১১ দিনের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয় ডিজেলবাহী জাহাজের আগমন।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে জাহাজটি বন্দরে পৌঁছানোর পর সেদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে জ্বালানি খালাস শুরু হয়। এর আগে গত সোমবার ‘শিউ চি’ নামের আরেকটি ট্যাংকার ২৭ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে আরও তিনটি ডিজেলবাহী ট্যাংকার বন্দরে ভেড়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ৩০ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে এসপিটি থেমিস আগামী ১২ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে।

এ ছাড়া ১৩ মার্চ র‍্যাফেলস সামুরাই এবং ১৫ মার্চ চাং হাং হং তু নামের আরও দুটি ট্যাংকার আসবে, যেগুলোর প্রতিটিতে প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন করে ডিজেল রয়েছে।

এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা এই পাঁচটি ট্যাংকার মিলিয়ে দেশে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৫ মেট্রিক টন পরিশোধিত ডিজেল যুক্ত হবে। বিপিসির হিসাবে, এই ডিজেল দিয়ে বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী অন্তত ১২ দিনের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব।

বিশ্ববাজারের অস্থিরতা বিবেচনায় সরকার গত রোববার থেকে দৈনিক ডিজেল সরবরাহ কমিয়ে ৯ হাজার মেট্রিক টনে নামিয়ে এনেছে। এই সাশ্রয়ী সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় থাকলে নতুন চালানের ডিজেল দিয়ে প্রায় ১৬ দিনের চাহিদা পূরণ করা যাবে।

বর্তমান মজুদসহ নতুন চালান যুক্ত হলে দেশে প্রায় এক মাসের ডিজেল চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

বিপিসির বাণিজ্যিক ও অপারেশন বিভাগের কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও জাহাজ আসার পর দ্রুত জ্বালানি খালাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরবর্তী ট্যাংকারগুলো সময়মতো পৌঁছালে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

তার মতে, এই ধারাবাহিক সরবরাহ নিশ্চিত হলে বাজারে যে কৃত্রিম সংকট ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা কমে যাবে।
 

আরও পড়ুন