1. »
  2. জাতীয়

একুশে বইমেলায় কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ডিএমপি

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ০১:৪৭ পিএম | আপডেট: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ০১:৪৭ পিএম

একুশে বইমেলায় কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ডিএমপি

আসন্ন অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ ঘিরে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সরওয়ার জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে মেলা শুরু হওয়ায় এইসব নিরাপত্তা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, কোনো সুনির্দিষ্ট হুমকি না থাকলেও পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে। ৩০০টিরও বেশি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার মাধ্যমে মেলা প্রাঙ্গণ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। এবারের মেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’, এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন আগামীকাল দুপুর ২টায়।

ডিএমপির নিরাপত্তা পরিকল্পনায়, ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সব প্রবেশপথ ও অভ্যন্তরীণ প্রতিটি স্তরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। দর্শনার্থীরা মেলায় প্রবেশের সময় মেটাল ডিটেক্টর এবং ম্যানুয়েল চেকিংয়ের মাধ্যমে যাচাই পদ্ধতি অতিক্রম করবেন।

ধারালো অস্ত্র, বিস্ফোরক বা দাহ্য পদার্থ মেলায় নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ডগ স্কোয়াড নিয়মিত তল্লাশি চালাবে, এবং শিশু ও নারীদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে এমন বই সম্পর্কেও পুলিশের নজরদারি থাকবে।

মেলা চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত, ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার থাকবে না। ছুটির দিনে মেলা শুরু হবে বেলা ১১টা থেকে। হারিয়ে যাওয়া জিনিসপত্র ফেরত দেওয়ার জন্য বিশেষ বক্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

যান চলাচল ও পার্কিংয়ের বিষয়েও ট্রাফিক বিভাগ থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজু ভাস্কর্য এলাকায় মেলা চলাকালীন কোনো ভারী যানবাহন প্রবেশ করবে না। তবে টিএসসি থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত রাস্তা প্রয়োজন অনুযায়ী খোলা থাকবে। মহসিন হল মাঠ, ফুলার রোড, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেন, যাতে মেলার সার্বিক শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।