1. »
  2. জাতীয়
শহীদ সেনা দিবস

দেশের স্বার্থবিরোধী সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১০:৪৯ এএম | আপডেট: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১০:৪৯ এএম

দেশের স্বার্থবিরোধী সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, এটাই হোক শহীদ সেনা দিবসের মূল প্রত্যয়।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া বাণীতে তিনি ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির পিলখানা হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করেন। সে দিন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত নির্মম হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে।

শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, এই দিনটি জাতির জন্য বেদনাবিধুর স্মৃতি বহন করে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে তিনি মনে করেন, এই ঘটনার পেছনে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী চক্রান্ত ছিল—যা নাগরিকদের উপলব্ধিতে রাখা জরুরি। তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মর্যাদা, সাহস ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে যাতে কেউ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও দৃঢ় থাকতে হবে।

সবশেষে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলাই হোক শহীদ সেনা দিবসের অঙ্গীকার।