1. »
  2. জাতীয়

সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও গণতন্ত্র সুসংহত করা : মির্জা ফখরুল

বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১১:০১ এএম | আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১১:০১ এএম

সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও গণতন্ত্র সুসংহত করা : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুসংহত করা। তিনি আরও বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও দুর্নীতি মুক্ত করা হবে।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি বড় লক্ষ্য নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর মূল দর্শন হলো ‘বিল্ড দ্য নেশন’ (জাতি পুনর্গঠন)। উনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নেই মন্ত্রিসভা কাজ করছে। আমাদের প্রতিটি কাজের মূলে থাকবে গণতন্ত্র।’

জেলা পরিষদ, উপজেলা ও পৌরসভার বর্তমান শূন্যতা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘স্থানীয় সরকারের অনেক পদ বর্তমানে ফাঁকা রয়েছে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনী ব্যবস্থার মাধ্যমে এই শূন্যতা পূরণ করার চেষ্টা করব। এটি রাতারাতি সম্ভব নয়, তবে ইমিডিয়েটলি (অবিলম্বে) আমরা প্রক্রিয়ায় যাব।’

অতীতে এই মন্ত্রণালয়ে কাজের অভিজ্ঞতা থাকায় তিনি বিষয়গুলো দ্রুত গুছিয়ে নিতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিভিন্ন দপ্তরের দুর্নীতি ও সুশাসনের অভাব সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্নীতি দূর করা এবং মানুষের সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করা আমাদের অগ্রাধিকার। আগের সরকারের সময়ের অনিয়মগুলোকে আমরা খতিয়ে দেখব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরতে শুরু করেছে, ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রণে আসছে। পরিস্থিতি যতটা খারাপ বলা হচ্ছে, বাস্তবে সরকার তা সফলভাবে কাটিয়ে উঠছে।’

পবিত্র রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আজ বিকেলে ক্যাবিনেট মিটিং আছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

বিগত ১৮ মাসের উপদেষ্টা পরিষদের কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘তারা একটি বিশেষ মুহূর্তে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ট্রানজিশন টু ডেমোক্রেসি (গণতন্ত্রে উত্তরণ)-এর জন্য তারা যতটুকু প্রয়োজন ছিল তা করেছেন, অনেকগুলো ভালো কাজ উপহার দিয়েছেন।’