জাতীয় সংসদ নির্বাচন
আজ থেকে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী
রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১১:৩৯ এএম | আপডেট: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১১:৩৯ এএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংশোধনী গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আজ রোববার থেকে মাঠে নামছে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন ১ হাজার ৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, যারা ভোটগ্রহণ শেষে আরও দুই দিন দায়িত্বে থাকবেন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, “সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই মাঠে আছে। তবে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তারা ভোটের আগে ও পরে সাত দিন দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, মাঠের অবস্থা ভালো এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বাচনের জন্য সহায়ক।”
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই একটি পরিপত্র জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার জন্য পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় ইন-এইড-টু-সিভিল পাওয়ারের আওতায় সশস্ত্র বাহিনীও দায়িত্ব পালন করবে।
মোট নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংখ্যা ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন, সেনাবাহিনী ১ লাখ ৩ হাজার, নৌবাহিনী ৫ হাজার, বিমানবাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, বিজিবি ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্টগার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩, র্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ এবং চৌকিদার-দফাদার ৪৫ হাজার ৮২০ জন রয়েছেন।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। জেলা, উপজেলা ও থানা ভিত্তিক দায়িত্বে থাকবে বিজিবি, র্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন। উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে।
সব বাহিনী রিটার্নিং অফিসারের কাছে রিপোর্ট করবে এবং তার নির্দেশ ও পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে থাকবে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন দায়িত্ব পালন করবে। ভোটকেন্দ্র অনুযায়ী বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ভিন্ন থাকবে—মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন। মেট্রোপলিটনের বাইরে সাধারণ কেন্দ্রে ১৫-১৬ জন, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন। দুর্গম বা বিশেষ এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৬-১৭ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন দায়িত্বে থাকবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন
- চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, সব কার্যক্রম বন্ধ
- ভোটের আগে-পরে দূরপাল্লার যান চলাচলের বিষয়ে যা জানা গেল
- চট্টগ্রাম বন্দরে ফের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ঘোষণা
- ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে দোকান ও শপিংমল বন্ধ
- সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু হুজাইফার মৃত্যু
- ৯ম পে-স্কেলের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের যমুনা ঘেরাও, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
- চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক-কর্মচারীদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা
- মানিকগঞ্জে রিভলবার-বোমাসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার